তবে কি ? – এখন থেকে রাজনৈতিক মঞ্চ ব্যবহার করেই চলবে হত্যা’র মহড়া !!!
🇧🇩 রাবেয়া সুলতানা,বিশেষ প্রতিনিধি,রেড বাংলা নিউজ 🇧🇩
Update :
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
Share
নোয়াখালীতে রাজনীতির সভা থেকে বের হয়ে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা—তারপর বাজারে মিষ্টি বিতরণ। ঘটনাটা শুধু ভয়ংকর নয়, গভীরভাবে অস্বস্তিকর।
কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের কালিরহাট বাজারে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির একটি নির্বাচনী বৈঠককে কেন্দ্র করে নিহত হন মিজানুর রহমান রনি ওরফে কানা মিজান (৩৫)। সভায় তিনি নিজেকে দলের ‘ত্যাগী কর্মী’ দাবি করলে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাকে সভাস্থল থেকে ধাওয়া করা হয়। পরে ফেরার পথে কাজী বাড়ির সামনে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয় তাকে।
নিহত মিজান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার বাসিন্দা, দুই সন্তানের জনক। পুলিশের তথ্যমতে, তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অস্ত্র মামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, মিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ছিল। এই ক্ষোভ থেকেই তাকে মারধরের পর বাজার এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় নতুন করে বিতর্ক ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়— কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেই কি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যায়?
রাজনীতির সভা কি ? — এখন সহিংসতার ট্রিগার হয়ে উঠছে?
অপরাধের বিচার করবে আদালত, রাস্তায় লাঠি-পাইপ নয়। প্রকাশ্যে হত্যার পর বুনো উল্লাস কোনোভাবেই ন্যায়বিচার হতে পারে না। এই ঘটনাগুলো শুধু একজন মানুষের মৃত্যু নয় — চোখে আঙুল দিয়ে আইন, রাজনীতি আর সমাজের ভয়াবহ ভাঙনের ছবিই দেখিয়ে দেয়।