পা পিছলে পড়ে গিয়েছিলেন একজন রিকশা চালক। কিন্তু সেই পড়ে যাওয়াই বদলে দিয়েছে একটি পরিবারের পুরো জীবন। রিকশা চালক জাহিদ হাসান—বয়স মাত্র ৩৫। গরুর জন্য ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার পথে খালের পাড়ে পা পিছলে পড়ে যান তিনি। মাথার ওপর থাকা ভারী ঘাসের বোঝা সোজা এসে পড়ে তার মেরুদণ্ডের ওপর। সেই মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে জীবনের সব স্বাভাবিকতা।
♦️ এরপর শুরু হয় একের পর এক হাসপাতাল ঘোরা—জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল, ময়মনসিংহ, ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল। কোথাও আশার আলো মেলেনি। শেষ পর্যন্ত ধার–দেনা করে প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশন করানো হয়। কিন্তু সুস্থ হওয়ার বদলে জাহিদ এখন পুরোপুরি শয্যাশায়ী। মাথা ছাড়া শরীরের কোনো অংশই নড়াতে পারেন না।
♦️ এই দুরবস্থায় পাশে নেই স্ত্রীও। চার বছর আগেই সংসার ছেড়ে চলে গেছেন তিনি। এখন তিনটি মেয়েকে নিয়ে চরম অসহায়তায় দিন কাটছে এই বাবার। মেয়েরা কাঁদতে কাঁদতে বলে—“আমাদের বাবা ছাড়া আর কেউ নাই। মা অনেক আগেই চলে গেছে। এখন আমাদের কে দেখবে?” অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে স্কুল। খাবার আর চিকিৎসা—দুটোই অনিশ্চিত।
♦️ চিকিৎসার খরচ জোগাতে বিক্রি হয়ে গেছে একটি অটোরিকশা ও দুটি গরু—যা ছিল এই পরিবারের শেষ সম্বল। জাহিদের খাওয়ানো, ওষুধ দেওয়া, এমনকি দৈনন্দিন পরিচর্যা করছেন ভগ্নিপতি আলমগীর হোসেন। নিঃস্বার্থভাবে, কোনো অভিযোগ ছাড়াই। ভগ্নপ্রায় টিনের ঘরে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিন কাটছে পরিবারটির। তিনটি শিশুর ভবিষ্যৎ আজ অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে।
📞 যোগাযোগ
ভগ্নিপতি (আলমগীর হোসেন): 01-813-54-86-29
#একজন_বাবার_বাস্তবতা
#অসহায়_পরিবার
#মানবিক_সহায়তা
#তিন_শিশুর_ভবিষ্যৎ
#মানুষ_মানুষের_জন্য !!!