লিবিয়ার সাবেক নিহত নেতা “মুয়াম্মার গাদ্দাফির” কন্যা “আয়শা গাদ্দাফি” ইরানের জনগণের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন। তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে আপসের বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা সব সময় শান্তি বয়ে আনে না।
আয়শা গাদ্দাফি তার বক্তব্যে বলেন, “নেকড়েদের সঙ্গে আলোচনা করলে পালের (দুর্বল জনগণের) মুক্তি আসে না—বরং তা কেবল পরবর্তী শিকারের দিন-তারিখ নির্ধারণ করে।”
তিনি দাবি করেন, পশ্চিমা দেশগুলো এক সময় তার বাবা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে আশ্বাস দিয়েছিল যে তিনি যদি লিবিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিত্যাগ করেন, তাহলে আন্তর্জাতিক বিশ্বের দরজা তার জন্য খুলে যাবে।
আয়শার ভাষ্য অনুযায়ী, গাদ্দাফি সেই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করেছিলেন এবং কিছু কর্মসূচি থেকেও সরে এসেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। তিনি বলেন, পরে North Atlantic Treaty Organization (ন্যাটো)–এর বোমাবর্ষণে লিবিয়া ব্যাপক ধ্বংসের মুখে পড়ে।
ইরানের জনগণের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে আয়শা গাদ্দাফি বলেন, “শত্রুর কাছে ছাড় দিলে শান্তি আসে না; বরং তা শেষ পর্যন্ত ধ্বংসের পথই খুলে দেয়।”
তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।