অনলাইন ডেস্ক:
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী একটি বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় হৃদয়বিদারক এক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় ফেরার পথে নদী দেখাতে মেয়েকে নিয়ে বাস থেকে নেমে যান নুরুজ্জামান। পরে বাসটি পানিতে পড়ে গেলে তাঁর স্ত্রী ও সাত মাসের সন্তান বাসের ভেতরেই থেকে যান।

ডুবে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহন বাস তোলা হচ্ছে নদী থেকে
নুরুজ্জামানের বাড়ি শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের খোন্দকবাড়িয়া গ্রামে। তিনি জানান, ঈদের ছুটি শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন। কুমারখালী থেকে সৌহার্দ্য পরিবহন–এর একটি বাসে উঠেছিলেন তারা।
দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষার সময় চার বছরের মেয়ে নূরে জান্নাতকে পদ্মা নদী দেখাতে বাস থেকে নেমে যান নুরুজ্জামান। এ সময় বাসের ভেতরে সাত মাসের ছেলে নাজিফ বিন জামানকে কোলে নিয়ে বসে ছিলেন তাঁর স্ত্রী আয়েশা আক্তার। কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ নদীতে পড়ে যায়।

ডুবুরিদের উদ্ধার কাজ চলমান
জানা গেছে, বাসটি কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে এবং পথে বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী ওঠানো হয়। বাসটিতে অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে কাউন্টার সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত বিশ জনের অধিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ঘটনার পর নুরুজ্জামান চার বছরের মেয়েকে নিয়ে পদ্মাপাড়ে বসে স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ করছেন বলে জানিয়েছে।