উল্লেখ্য, এই খাজনা শুধুমাত্র ফার্মের মুরগী সরবরাহকারীরা প্রদান করবেন। কোন দোকানদারকে এ খাজনা দিতে হবে না। ফলে মুরগী বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতা পর্যায়ে কোনো প্রভাব পড়বে না।
সিদ্ধান্তগুলোতে সকল পক্ষ সম্মতি প্রদান করেন এবং ঝালকাঠি পৌরসভার কার্যকরী ও সময়োপযোগী ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান।