কুরবানির পশু “মহিষ” এর নাম যখন ট্রাম্প —- ( সম্পাদক,রেড বাংলা নিউজ ) ।
🇧🇩 Md.Sifuddin Zeya, Editor and Publisher, Red Bangla News 🇧🇩
Update :
শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
Share
সম্পাদকীয়,
ইদানীং দেখা যাচ্ছে কিছু দুষ্কৃতকারী সল্পঞ্জ্যাণী – ঞ্জ্যানপাপী অশিক্ষিত মাথা মোটা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ভিউ-ব্যবসায়ীরা মিলে অর্থসহ ডলার লাভের আশায় ও ভাইরালের নেশায় বিভিন্ন ধরনের উৎসব বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু হাস্যকর ও অরুচিশীল ভিডিও এবং কন্টেন্ট ভাইরাল করে সমাজে বিভিন্ন ধরনের মুড সুইং করে হাস্য-রসাত্নক ঘটনার উদ্ভব ঘটাচ্ছে। এতে করে মোটের উপর লাভবান হচ্ছে ঐ বেনিয়াদের গুষ্ঠির লালায়িত বপনকৃত বীজ ফেসবুক, গুগোল-সহ অন্যান্য দার্জালিও পেইজের সকল ধরনের বেনিয়ারা।
আর আমরা আস্তে ধীরে সুস্থ্যে নিজের অজান্তেই মাদকের মতো অব্যাস গড়ে তাদের ঐ যে, উন্মুক্ত বিশ্বায়নের নামে মোট কথা ইংরেজিতে-(Golobalaization) বা বিশ্বায়ন নামক উন্নতির ভরি আগেই গিলে ফেলেছি।
এই পশ্চিমা বেনিয়াদের কাজই হচ্ছে —- ঐ যে পবিত্র কুরআন উল কারিমে বর্ণিত, ছয় হাজার ছয় শত ছেষট্টি (৬,৬৬৬) টি আয়াতের ভেতর থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে এনে দ্বাজ্জালিও কায়দায় নিজেদের মতো করে ভুল বায়াত দেওয়া।
যেহেতু ইবলিশ শয়তান তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগের একটি আধ্যাত্বিক সুপ্রিম পাওয়ার মহান সৃষ্টি কর্তার কাছ থেকেই নিয়েই নিয়েছেন বলে জানি, আমি একজন মুসলিম ধর্মমতে বিশ্বাসী মানব সন্তান হিসেবে।
তাই বলবো, আমার এই বিষয়টা নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা না করলেই নয় যে — ইউরোপীয়ানরা আমাদের মুসলিমদের সাথে কখনোই সম্মুখ যুদ্ধ কৌশল বলেন আর মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাসের স্থান থেকেই বলেন। দুটোর কোন জায়গাতেই তারা আধিপত্য বিস্তার করার জন্য স্থান পাচ্ছেনা-। কোনও খাঁটি মুসলিম অন্তরেও না, আর জোরজুলুম করে দখল করেও পারছেন না । এখণ জোর যার মুল্লুক তার নীতি প্রয়োগ করেও ফেল মারতে আছে একের পর এক।
যেমন দরুন ইরান যুদ্ধে বিশ্ব সাহেবেরা এক হয়েও ইরাক, ফিলিস্তান, আফগান যুদ্ধের ন্যায় পশ্চিমারা দাদা ঘিরি করতে না পারার কারনে। এই ইবলিশ শয়তান এর দৃশ্যমান জ্যান্তমুর্তীগুলো বিশ্বনেতা সেঁজেগুজে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দেশে – নতুন বেশে নতুন চুক্তি বা নতুন ঋনমুক্ত অনুদান নামক ইউনেস্কো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা নামক ধার উন্মোচন করে আন্তর্জাতিক ভাবে মানুষের হৃদয়ে ঢোকে একটা আন্তর্জাতিক সাইনবোর্ড বা লোগো লাগাইছে যার নাম হলো -(জাতীসংঘ), আমি বলি এটাকে — (মুসলিম জাতি ধ্বংস) নামক অদৃশ্য সাইনবোর্ড । এতোকিছু করতে পারার একটাই কারন তা হলো আমাদের মতো স্যুট-বুট পরা ওয়ালারা বিপথগামী, ইসলাম বিদ্ধেসী, লোভী, স্বার্থপর, ঞ্জ্যানপাপী এদের গনতন্ত্র নামক একটা সবক বা সূত্র দিয়ে আল্লাহর আইন শৃঙ্খলা মেনে চলে আসা কিছু অতি ধর্মভক্ত বা ধর্মভিরুতা সম্পন্ন লোকের মাধ্যমে চলে আসা হাজার হাজার বছরের ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারা নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলা কোন এক স্বয়ং সম্পূর্ণ দেশ আন্তর্জাতিক ভাবে চিনি এমন একটা দেশ যেখান থেকে তাঁরা সমগ্র সুবিধা বঞ্চিত রয়েছে বা খুব বেশি করে সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করতে পারে অথবা পবিত্র কুরআন উল কারিমে উল্লেখ করা দেশে কিছু নেতার বিরুদ্ধে আবার ঐ দেশেরই ক্ষুদা-দারীদ্রতায় জর্জরিত লোকজন অথবা ভিন্ন ভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন নেতা নামক লোভী ব্যাক্তির লেজ ধরে যাত্রা শুরু করার আগেই—ঐযে ইবলিশীয় হৃদয়ে গাঁথা পথে মধ্যে তাদের এই পৃথিবী সৃষ্টির সূচণালগ্ন থেকে যে— ইশতিহার মানবজাতিকে উন্মুক্ত বা দাউস হিসেবে আল্লাহর কাছে উপবিষ্ট করার যে বাসনা, বিপথগামী পরিকল্পনা চরিতার্থ করার লক্ষ্যে এক এক সময় এক রুপে আবির্ভূত হয়ে প্রথমে মুসলিম জাতিগত সাম্প্রদায়িক ইতিহাসের কোন একটা হৃদয়স্পর্শী ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারার বিষয় সম্বলিত মুভি বা ভিডিও ছবি ধারণ করে ঐ মুসলিম নেতা বা জাতিগোষ্ঠীকে স্যাটেলাইট যোগাযোগের মাধ্যমে সে হোক টিভি,বিসিআর,সিডি, ডিভিডি অথবা আজকের যুগের এই ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আপনার সকল সকল তথ্য উপাত্ত আপনাকে দিয়েই নিয়ে গিয়ে আপনাকে উলঙ্গ করে নামে মুসলমান হিসেবে দুনিয়ায় বাঁচিয়ে রাখবে এই বেনিয়ার দল ।
আমি বলবো, আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে আগেই এই সকল কন্টেন্ট, ভিভিও, মব সৃষ্টিকারী সকল ধরনের রাজনৈতিক,সামাজিক, ধর্মীয়, নৈতিক সকল ধরনের অনিষ্টতাকারী সুযোগ সন্ধানী অসদাচরণ কারীর ফিতনা-ফ্যাসাদ থেকে দেশ জাতি ও ধর্মকে সমুজ্জ্বল প্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত করতে আমি ও আমার পরিবারকেই আগে নৈতিক ও ধর্মীয় পরীক্ষা দিতে হবে আগে।
তারপর রাষ্ট্রকে কিছুটা সাইবার বিষয়ক অনলাইন ভার্চুয়াল জগতের সবচেয়ে চতুর শৃগাল এর মতোই চৌকস ভূমিকায় থেকে রাষ্ট্র বিনির্মানে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। সেটা হোক সমাজতান্ত্রিক, পুঁজিবাদী, গনতান্ত্রিক কিংবা সর্বশেষ ও সর্বোচ্চ আমাদের মুসলিমদের অহংকার ও গর্বের ইসলামি রাষ্ট্রের অবকাঠামো তৈরিতে সহায়ক ভুমিকা পালনকর্তা প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ আঃ সাঃ এর সাথে সম্পর্ক তৈরী করনীয় বিধান। এই রাষ্ট্রিয় অবকাঠামো উন্নয়ন এর পক্ষে আমি কেন বলছি তার একটাই যৌক্তিক কারন তাহলো আমরা মুখে যতই সার্বজনীন ভাব নেই না কেন !?
দিন শেষে— ঈদ-কুরবানি আসলে আমরা হালাল-হারাম ভুলে গিয়ে একত্রিত হয়ে আমাদের ধর্মের প্রতি যে ভীরুতা বা ভালোবাসা পরিলক্ষিত হয়। সেটা আজ ঐ নাস্তিক বেনিয়াদের গ্লোবালাইজেশনের সুবাদে সবারই জানা আছে।
পরিশেষে, আমি অনেক লম্বা-মোটা, ছোট- খাটো সকল ধরনের আবাল বৃদ্ধ সুউচ্চ শিরোনামীয় পত্রিকার ঞ্জ্যানপাপীয় সাংবাদিক বা সম্পাদক মন্ডলীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই। রাষ্ট্রটিকে বা আপনার মায়ের প্রতিচ্ছবি মানে “মা ” নামক দেশটাকে বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলের মতো হাস্যকর সাংসদিয় রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করানোর এই সকল দাজ্জালিয় অপ-সাংস্কৃতিক পরিকল্পনা পরিহার করে– প্রধানমন্ত্রী জনাব, তারেক রহমানকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে দেশটাকে এগিয়ে নিতে সকলে মিলে সাহায্য সহযোগিতা করুন। কারণ তিনি হচ্ছেন আমাদের এতিম অসহায় নির্যাতিত মাত্র ১০০ দিনের সদ্য জন্ম নেওয়া এক শিশু প্রধানমন্ত্রী।
যদি পারি আজকে থেকে আমরা লোভী স্বার্থপর মানুষ গুলো— শপথ নিয়ে ভালো হয়ে যেতে ! দেখবেন আমরাও একসময় ঠিকই সত্যি সত্যি আল্লাহর কাছ থেকে রহমত স্বরুপ নির্লোভী নিঃস্বার্থ রাষ্ট্র নায়ক উপহার হিসেবে পাইবো।
ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রকাশিত লেখাগুলোর সম্পাদকীয় কলামে আমি, মোঃ সাইফুদ্দিন জিয়া, সম্পাদক ও প্রকাশক, রেড বাংলা নিউজ ।।।