• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
  • Bangla Version
Headline
ডিবির হাতে রবিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার জুলাই আন্দোলনে যাত্রাবাড়িতে আলোচিত হত্যা মামলার আসামি সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম । বিচারকদের ডিউটি আর কর্মঘণ্টা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। ঝালকাঠির সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেছারাবাদ কামিল মাদ্রাসা। ঝালকাঠি পৌরসভার পানি সুপার কামরুল ইসলামের দায়িত্বে অবহেলায় পানির অভাবে এলাকাবাসী। তুরাগ নদী থেকে তাহসিফ সৌরির মৃতদেহ উদ্ধার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে । সরাইল থানার ওসিকে নোটিশ। ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগ । ঝালকাঠিতে মব সৃষ্টি করে কৃষককে বেঁধে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল সন্ত্রাসী এলিনের বিরুদ্ধে। বরিশালে ১৫ পিস ইয়াবা সহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার । মোবাইল কাপড়-চোপড় টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয় !

বিশিষ্ট সাংবাদিক,ব্লগার, কলামিস্ট এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী সম্পর্কে আজ তথ্য উপাত্তনির্ভর বিশ্লেষক —- মনির হোসেন।

🇧🇩 মোঃ সাইফুদ্দিন জিয়া, সম্পাদক ও প্রকাশক, রেড বাংলা নিউজ 🇧🇩
Update : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

 

 

     মোঃ সাইফুদ্দিন জিয়া 

      সম্পাদক ও প্রকাশক 

       রেড বাংলা নিউজঃ

 

  বিশিষ্ট সাংবাদিক,ব্লগার, কলামিস্ট এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী সম্পর্কে আজ তথ্য উপাত্তনির্ভর বিশ্লেষণধর্মী মন্তব্যে —- (মনির হোসেন ওরফে ব্লগার মনির ভাই) ।

 

 

 এবার রেড বাংলা নিউজ মনির হোসেন এর বেরিফাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে তুলে নিয়ে হুবহু প্রকাশ করবে ইরান যুদ্ধ কৌশল অবলম্বন বিষয়ক অনলাইন থেকে সংগৃহীত মন্তব্য।

 

 

এটা একটা তথ্য যু/দ্ধ।
উনি মোসাদের এজেন্ট।

এটা আহমেদিনেজাদ অনেক আগেই বলেছিলো..
খামেনিকে হত্যার পেছনের মাস্টারমাইন্ড?
এটা কেবল একটা হামলা নয়। এটা তথ্যযুদ্ধ। এটা বিশ্বাসঘাতকতার গন্ধমাখা এক অদৃশ্য খেলা।

খামেনির মতো একজন নেতার অবস্থান, চলাফেরা, বৈঠকের সময় ও স্থান বাইরের কেউ অনুমান করে জানতে পারে না। এসব তথ্য আসে ভেতর থেকে। খুব ভেতর থেকে।
স্পষ্ট কথা, খামেনির আশেপাশে একজন বেইমান আছেন।

যিনি জানেন কখন তিনি রাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসবেন, কোথায় বসবেন, কারা উপস্থিত থাকবেন। সেই তথ্যই বাইরে গেছে।
এখন ঘটনাগুলো একসাথে দেখি।
শুধু খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলা নয়, সাম্প্রতিক বড় বড় টার্গেটেড হামলাগুলোর মধ্যে এক অদ্ভুত মিল আছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময় একজন ব্যক্তি উপস্থিত থেকেও অক্ষত ছিলেন।
ইসমাইল কানি, কাকতালিয় নাকি ক্যালকুলেশন?
ইসমাইল কানি ইরানের কুদস বাহিনীর বর্তমান কমান্ডার।

ঘটনাগুলো ধারাবাহিকভাবে দেখা যাক।
লেবাননে হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হওয়ার দিন তিনি জীবিত ও সক্রিয় ছিলেন।

তথাকথিত বারো দিনের যুদ্ধে, যেখানে ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের বড় অংশ হামলার শিকার হয়, তিনি বেঁচে যান।

এমনকি আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে চালানো হামলার পরও, যেখানে তার থাকার কথা ছিল, বলা হচ্ছে তিনি জীবিত।

প্রশ্ন ওঠে।
এগুলো কি নিছক ভাগ্য?
নাকি আগাম সতর্কতা ছিল?
নাকি তিনি জানতেন কোথায় আঘাত আসতে পারে?

এখানে সরাসরি কাউকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে না। কিন্তু প্যাটার্ন উপেক্ষা করাও কঠিন। গোয়েন্দা জগতে একটি কথা প্রচলিত আছে, বারবার অক্ষত থাকা কখনো কখনো কাকতালিয় নয়, কখনো কখনো সেটা ইঙ্গিত।

ইরানের ক্ষমতার বলয় বহুস্তরীয়। কুদস বাহিনী, বিপ্লবী গার্ড, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, ধর্মীয় কর্তৃত্ব, সবার অবস্থান এক হলেও স্বার্থ সবসময় এক নয়। আঞ্চলিক প্রভাব, কৌশলগত দর কষাকষি, অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার সমীকরণ, সব মিলিয়ে ভেতরের দ্বন্দ্বের সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

মূল প্রশ্ন এখন ব্যক্তিকে ঘিরে নয়, কাঠামোকে ঘিরে।

খামেনির নিরাপত্তা বলয়ের কোথাও কি ফাটল ধরেছে?
নাকি ইরানের অভ্যন্তরে চলছে নীরব ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস?

যদি ভেতরে বেইমান থাকে, তবে তিনি একা নন। সেটা একটি নেটওয়ার্ক। আর নেটওয়ার্ক ভাঙা সহজ নয়।

 

 

 

      *রেড বাংলা নিউজ* 

 

 

 


More News Of This Category