অস্তিত্বের প্রশ্নে এক বিন্দুও ছাড় নয়,নেতাকর্মীদের প্রতি শিরীন শারমিন চৌধুরীর কড়া বার্তা !
🇧🇩 কে এম সবুজ, বিভাগীয় প্রতিনিধি, রেড বাংলা নিউজ 🇧🇩
Update :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
Share
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রেড বাংলা নিউজ।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ—— আওয়ামীলীগের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আগামীর অগ্রযাত্রা নিয়ে অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও তেজস্বী বক্তব্য দিয়েছেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দলের অস্তিত্বের প্রশ্নে কোনো ধরণের আপস বা ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই এবং দেশ রক্ষার দায়িত্ব এখন দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিক ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর ওপর। দেশ রক্ষার ডাক ও নাগরিক দায়িত্ব নিয়ে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, “এই দেশ আপনার-আমার সবার। তাই এই দেশ রক্ষা করার এবং একে পুনরায় স্থিতিশীলতার পথে ফিরিয়ে নেওয়ার দায়িত্বও আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে নিতে হবে।” তিনি মনে করেন, প্রতিকূল সময়ে দেশপ্রেমিক জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানই পারে সকল সংকট দূর করতে।
তৃণমূল কর্মীদের ওপর শেখ হাসিনার বিশেষ নির্দেশনা দলের আগামী দিনের সাংগঠনিক রূপরেখা সম্পর্কে তিনি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে— “দলের চরম দুঃসময়ে যারা ‘আলো’ হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দেশে অবস্থান করছেন, সেই সব ত্যাগী ও সাহসী কর্মীদের দিয়েই আগামী দিনের সকল সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।” এই ঘোষণা তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অপশক্তি রুখে দেওয়ার অঙ্গীকার করে শিরীন শারমিন চৌধুরী নেতাকর্মীদের ‘সত্য প্রচারে বলিয়ান’ হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে সত্যের মাধ্যমে। সকল অশুভ ও অপশক্তিকে রুখে দিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।” রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর এই বক্তব্যটি মূলত আওয়ামী লীগের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার একটি বড় সংকেত। বিশেষ করে ‘দেশে থাকা কর্মীদের’ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি রাজপথের সক্রিয় কর্মীদের মধ্যে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাঁর এই বক্তব্যটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দলীয় সমর্থকরা একে ‘আশার বাণী’ হিসেবে দেখছেন এবং রাজপথে সক্রিয় হওয়ার নতুন শপথ নিচ্ছেন।
এখন দেখার বিষয়, এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কর্মকাণ্ডে কী ধরণের পরিবর্তন আসে।