মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে জঙ্গল সলিমপুর নামের পাশ থেকে অচিরেই উঠে যাচ্ছে ভয়ংকর নামক শব্দটি ।
🇧🇩 Md.Sifuddin Zeya, Editor and Publisher, Red Bangla News 🇧🇩
Update :
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
Share
৯০ এর দশকে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস সীতাকুন্ডের পাহাড়ি ইউনিয়ন সলিমপুরের পাহাড় কেটে অবৈধ বসতি স্থাপন শুরু করে।
নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে প্লট বিক্রি করে ধীরে ধীরে সে সেখানে গড়ে তোলে ৩,১০০ একর আয়তনের এক সাম্রাজ্য, ঠিক কেজিএফের আদলে জঙ্গল সলিমপুর।
একসময় আক্কাস র্যাবের হাতে নিহত হয়। সেই সিংহাসন ও রাজ্য দখলে আসে কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গফুর মেম্বার, গাজী সাদেকসহ কয়েকজন।
জঙ্গল সলিমপুর হয়ে উঠে দেশের ভিতরে আরেক দেশ, সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এখানকার দেড় লক্ষ বাসিন্দার প্রত্যেকের ছিল আলাদা আইডি কার্ড। পরিচয়পত্র ছাড়া কোন বহিরাগতই এখানে প্রবেশ করতে পারতো না।
২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি র্যাবের একটি দল ইয়াসিন গ্রুপকে তাড়া করে এখানে প্রবেশ করে। এরপরই চার পাঁচশ মানুষ একযোগে র্যাবের উপর হামলা করে। নিহত হন র্যাব কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোতালেব ভূঁইয়া।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র ২০ দিনের মাথায় ৯ই মার্চে প্রায় ৪ হাজার সেনা-র্যাব-পুলিশ-বিজিবি-এপিবিএনের সমন্বয়ে গঠিত আর্মড ফোর্স ৩টি হেলিকপ্টার, ১২টি ড্রোন, ১৫টি এপিসি এবং ডগ স্কোয়াড নিয়ে সলিমপুরে এক দুর্ধর্ষ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতার, অস্ত্র-গুলি উদ্ধারসহ তারা সলিমপুরের পুরো সিসিটিভি নেটওয়ার্ক ধ্বংস করে দেয়। বসানো হয় র্যাব ও পুলিশের দুইটি স্থায়ী ক্যাম্প। কিন্তু………
তারেক রহমান ও সালাহউদ্দীন আহমেদ এখানেই থেমে থাকেননি। তাঁরা খুব ভাল করেই জানেন এই জঙ্গল সলিমপুর এভাবে থাকলে আবারও সন্ত্রাসীদের কেজিএফ হয়ে যাবে। তাই তাঁরা এর স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজে নিলেন।
আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষনা দেন, জঙ্গল সলিমপুরে দুটি অত্যাধুনিক পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি গড়ে তোলা হবে।
একটি একাডেমি বিশেষ অভিযান পরিচালনা ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাসহ বিশেষভাবে এলিট ফোর্সের জন্যে করা হবে। আর আরেকটি রেগুলার পুলিশের জন্যে, মানে জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য হওয়ার চ্যাপ্টার ক্লোজড। সলিমপুর উইল নেভার বিকাম কেজিএফ।
এই যে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিএনপি সরকারের এরকম দুরদর্শী ও কার্যকরী পদক্ষেপ, আপনাকে এর প্রশংসা করতেই হবে ।