• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
  • Bangla Version
Headline
ডিবির হাতে রবিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার জুলাই আন্দোলনে যাত্রাবাড়িতে আলোচিত হত্যা মামলার আসামি সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম । বিচারকদের ডিউটি আর কর্মঘণ্টা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। ঝালকাঠির সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেছারাবাদ কামিল মাদ্রাসা। ঝালকাঠি পৌরসভার পানি সুপার কামরুল ইসলামের দায়িত্বে অবহেলায় পানির অভাবে এলাকাবাসী। তুরাগ নদী থেকে তাহসিফ সৌরির মৃতদেহ উদ্ধার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে । সরাইল থানার ওসিকে নোটিশ। ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগ । ঝালকাঠিতে মব সৃষ্টি করে কৃষককে বেঁধে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল সন্ত্রাসী এলিনের বিরুদ্ধে। বরিশালে ১৫ পিস ইয়াবা সহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার । মোবাইল কাপড়-চোপড় টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয় !

বিচারকদের ডিউটি আর কর্মঘণ্টা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান।

🇧🇩 Happy Sultana, Sub-News Editor, Red Bangla News 🇧🇩
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

 

 

   “বেলা ১১টায় এসে দেড়টা-দুইটায় চলে যাবেন—এটা আর চলবে না!” আদালতের বারান্দায় বছরের পর বছর ঘুরে টেকো হয়ে যাওয়া বিচারপ্রার্থী মানুষগুলোর দুঃখ বোধহয় এবার একটু কমবে!

 

সম্প্রতি আমাদের আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিচারকদের ডিউটি আর কর্মঘণ্টা নিয়ে যে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তা সত্যি প্রশংসনীয়। তিনি সরাসরি বলেছেন—

 

কিছু কিছু বিচারক নাকি বেলা ১১টায় কোর্টে আসেন, আর দেড়টা-দুইটা বাজতেই এজলাস ছেড়ে চলে যান! দেশের আদালতগুলোয় যেখানে ৪৬ লাখের ওপর মামলা ঝুলে আছে, মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় দিনের পর দিন চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকে, সেখানে এমন গাফিলতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

 

   সবচেয়ে জোরালো যে কথাটা মন্ত্রী বলেছেন, তা হল— “যদি কোনো আয়েশি জুডিশিয়াল অফিসার থাকেন, তাদের আয়েশের ব্যবস্থা আমরা করতে পারবো ! “

 

অর্থাৎ,জনগণের টাকায় বেতন নিয়ে দায়িত্বে ফাঁকি দিলে আর পার পাওয়া যাবেনা,সোজা অ্যাকশন ! 

 

 

     একই সাথে মামলার জট কমাতে আদালতে আসামিদের ডিজিটাল হাজিরা এবং ই-পারিবারিক আপিল আদালতের মতো দারুণ কিছু আধুনিক প্রযুক্তিগত সংস্কারের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।একজন আইনজীবী হিসেবে প্রতিদিন কোর্টের চত্বরে মানুষের ভোগান্তি খুব কাছ থেকে দেখি। আমি মনে করি, বিচার ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই ধরনের জবাবদিহিতা ও কড়া পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। বিচারক থেকে শুরু করে আইনজীব—

 

  আমরা সবাই যদি যার যার জায়গায় শতভাগ সৎ ও দায়িত্বশীল না হই, তবে এই বিশাল মামলার পাহাড় কখনোই দূর করা সম্ভব না।

 

আইনমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থানকে আপনারা কীভাবে দেখছেন ?

আসলেই কি আমাদের আদালত পাড়ার চিত্র এবার বদলাবে ? 

 

 

  🇧🇩 রেড বাংলা নিউজ 🇧🇩

 

 

 


More News Of This Category