রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী), প্রতিনিধি রেড বাংলা নিউজ :
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালিতে স্কুলছাত্রী আয়েশা হ/ত্যা/কা/ণ্ডের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল হ/ত্যা/কারী স্বীকা-রোক্তি-মূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, নি-হ-ত আয়েশার বাবা বাবুল পেদার নির্দেশে পরিকল্পিতভাবে তাকে হ-ত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার বিকেল থেকে আয়েশা নিখোঁজ ছিল। পরদিন শনিবার তার বাবা বাবুল পেদা রাঙ্গাবালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর এলাকাজুড়ে চলে খোঁজাখুঁজি। তবে নিখোঁজের পুরো ঘটনাটিই ছিল পূর্বপরিকল্পিত।
রোববার বেলা ১১টার দিকে আয়েশার নিজ বাড়ির রান্নাঘরের বারান্দা থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তার ম/র/দে/হ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর পুলিশ স-ন্দে-হভাজন কয়েকজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে। এদের মধ্যে নিহতের চাচাতো চাচা রুবেল পেদা হ-ত্যা-র দায় স্বীকার করেন।
সোমবার বিকেলে রুবেল পেদাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি জানান, আয়েশার বাবা বাবুল পেদার নির্দেশেই তিনি শিশুটিকে গলা টি/পে হ/ত্যা করেন। হ/ত্যা/র পর ম/র/দে/হ বস্তাবন্দী করে বাড়ির মধ্যেই লুকিয়ে রাখা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আয়েশা তার বাবার সঙ্গে সমবয়সী এক মেয়ের অ/বৈধ সম্পর্কের বিষয়টি জেনে ফেলে এবং তা তার মা ও বড় বোনকে জানায়। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় বাবুল পেদা তার চাচাতো ভাই রুবেল পেদাকে টাকা দিয়ে নিজের মেয়েকে হ/ত্যা/র নির্দেশ দেন। সন্দেহ এড়াতে হ/ত্যা/র পর বাবুল নিজেই থানায় গিয়ে নিখোঁজের জিডি করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল পেদা হ/ত্যা/র আগে শিশুটির ওপর যৌ/ন সহিংসতার কথাও স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ। ঘটনার নির্দেশদাতা হিসেবে বাবুল পেদাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নি/হ/ত আয়েশার বড় বোন সাথী বেগম বা/দী হয়ে রাঙ্গাবালি থানায় একটি হ/ত্যা মা/মলা দায়ের করেছেন পুলিশ জানিয়েছে, মা/ম/লাটি দ্রুত তদন্ত শেষ করে বিজ্ঞ আদালতে অ/ভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শা/স্তি নিশ্চিত করতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় আরো প্রমান হয় মেয়েদের জীবনের কোথাও নিরাপত্তা নেই �বাবার কাছেও না,,,,,,!!!!